Skip links

মুখোমুখি আবদুল মোত্তালিব এবং আবরাহা

ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত সাব্বির জাদিদ-এর "পিতামহ" উপন্যাস থেকে সংকলিত

পড়তে সময় লাগবে: 7 মিনিট

সৈন্যদের রসদ ফুরিয়ে গিয়েছিল গতরাতেই। আশপাশের চারণভূমি থেকে মক্কাবাসীর পালিত পশু ধরে আনার নির্দেশ দিলেন আবরহারা। আসওয়াদ ইবনে মাকসুদের নেতৃত্বে একদল আবিসিনীয় সৈন্য তিহামার চারণভূমিতে লুটপাট শুরু করল। ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে সেনা ছাউনির সামনে তারা লুণ্ঠিত উট-দুম্বা-ভেড়ার বাজার বসিয়ে ফেলল। এর মধ্যে আবদুল মোত্তালিবের দুই শ উট ছিল।

তিহামা ছিল কোরাইশদের ব্যক্তিগত চারণভূমি। তিহামার সমুদয় সম্পদ লুণ্ঠিত হওয়ার প্রেক্ষিতে কোরাইশরা আবরাহার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার পরিকল্পনা আঁটতে শুরু করল। কিন্তু এই যুদ্ধে জয়ের কোনো সম্ভাবনা নেই দেখে তারা সরে আসল যুদ্ধ-পরিকল্পনা থেকে। তবে নিজের সম্পদ রক্ষার জন্য উমাইয়ার ছেলে আস চারণভূমিতে আবরাহার সৈন্যদের সাথে সংঘাতে লিপ্ত হলো। মক্কায় গুজব রটে গেলÑআবরাহার সৈন্যদের হাতে আস ইবনে উমাইয়া নিহত হয়েছে।

দুইশ উট হারিয়ে বিচলিত হয়ে পড়লেন আবদুল মোত্তালিব। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, আবরাহার সাথে দেখা করবেন। লুণ্ঠিত উট সৈন্যদের পেটে যাওয়ার আগেই ফেরত পাওয়ার দাবি জানাবেন। সেদিন সকাল বেলা ছেলে আবু তালিবকে সাথে নিয়ে তিনি মুগাম্মাসের দিকে যাত্রা করলেন।

ওদিকে আবরাহাও মক্কার কোনো এক প্রসিদ্ধ সরদারের সাথে কথা বলতে চাচ্ছিলেন। তিনি যে মানুষ মারতে আসেননি, এসেছেন শুধু কাবাঘর ধ্বংস করতে, এই সংবাদটা তিনি স্থানীয় সরদারের মাধ্যমে নগরবাসীকে জানিয়ে দিতে চান। যেন কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষি পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়।

আবরাহা হুনাতা নামের এক হিময়ারিকে শহরের ভেতর পাঠালেন। হুনাতা যেন এই নগরীর সবচে’ সম্ভ্রান্ত ও মান্যবর নেতাকে সঙ্গে করে আবরাহার কাছে নিয়ে আসে। হুনাতা খোঁজ নিয়ে জানতে পারল, অমন নেতা মক্কায় একজনই আছেন, তিনি আবদুল মোত্তালিব। হুনাতা আবদুল মোত্তালিবের খোঁজে পুরো মক্কা চষে ফেলল। কিন্তু তাকে নগরীর কোথাও পাওয়া গেল না। কীভাবে যাবে, তার আগেই তো আবদুল মোত্তালিব মুগাম্মাসের দিকে যাত্রা করেছেন।

Courtesy: madainproject.com

দ্বিপ্রহরে ছেলে আবু তালিবের সাথে আবরাহার ছাউনির সামনে উট থেকে নামলেন আবদুল মোত্তালিব। সম্রাটের সাথে কীভাবে দেখা করা যায় ভাবতে লাগলেন তিনি। সম্রাটের গোয়েন্দারা রাস্তা থেকেই পর্যবেক্ষণ করছিল আবদুল মোত্তালিবকে। এখন ছাউনির সামনে তাকে ইতস্তত হাঁটাহাঁটি করতে দেখে গোয়েন্দাদের সন্দেহ হলো। তারা বাবা-ছেলেকে বন্দী করে নিয়ে গেল অস্থায়ী বন্দীশালায়। আবদুল মোত্তালিব বারবার বলতে লাগলেন, তিনি একজন সম্মানীত মানুষ। সম্রাটের সাথে দেখা করতে চান। কিন্তু যুদ্ধপূর্ব হইহাঙ্গামায় তার কথা কানে তোলার প্রয়োজন মনে করল না গোয়েন্দা বিভাগ।

বন্দীশালায় তখনো বন্দী অবস্থায় ছিল ইয়েমেনের বিদ্রোহী নেতা জুনফর। তিনি আবদুল মোত্তালিবের বন্ধু। বন্দীশালায় জুনফরের সাথে দেখা হয়ে গেল আবদুল মোত্তালিবের। তিনি পরিচিত এই মানুষটাকে পেয়ে যেমন আশার আলো দেখতে পেলেন তেমনি বিস্মিতও হলেন জুনফরের বন্দী অবস্থা দেখে। তার সাদা হয়ে ওঠা ভুরুদ্বয়ে জিজ্ঞাসা ফুটে উঠল।

কুশল বিনিময়ের পর জুনফর বললেন, সরদার, আমাকে এই বন্দীশালায় দেখে নিশ্চয় অবাক হচ্ছ। আমার অপরাধ গুরুতর। আবরাহার কাবা আক্রমণের বিরোধিতা করতে অল্প সংখ্যক শিষ্য নিয়ে আমি এই বিশাল বাহিনীর ওপর হামলা করেছিলাম। এরপরও যে বেঁচে আছি, এ আমার সৌভাগ্য। কিন্তু তুমি এখানে কেন হে সরদারে মক্কা?

আবদুল মোত্তালিব ক্ষুব্ধ গলায় বললেন, আবরাহার সৈন্যরা চারণভূমি থেকে আমার দুইশ উট লুট করে এনেছে। আমি তার বিচার চাইতে এসে বন্দী হয়েছি। তুমি কি আমার কোনো সাহায্য করতে পারবে?

জুনফর বললেন, আমিও বন্দী সম্রাটের হাতে। সকাল-সন্ধ্যা মৃত্যুর জন্য অপেক্ষমান এই মানুষটা তোমার কিইবা উপকার করতে পারে! তবে হস্তিবাহিনীর পরিচালক উনাইস আমার পরিচিত এবং বন্ধুস্থানীয়। তাকে অনুরোধ করলে সে হয়তো তোমাকে সম্রাটের সাথে দেখা করিয়ে দিতে পারে। ভাগ্য সুপ্রসন্ন হলে চাই কি তোমার হয়ে সম্রাটের কাছে সে সুপারিশও করবে।

জুনফর কারারক্ষীকে অনুরোধ করলেন–উনাইস যেন সুযোগ করে এখানে আসে। কারারক্ষীর খবর পেয়ে একটু পরেই বন্দীশালায় হাজির হলো মাহুত উনাইস। জুনফর আবদুল মোত্তালিবকে পরিচয় করিয়ে দিলেন উনাইসের সাথে। আবদুল মোত্তালিবের পরিচয় পেয়ে বিস্মিত হলো উনাইস। তড়িঘড়ি করে বলল, আপনি এখানে অথচ আপনাকে খুঁজে না পেয়ে ফিরে এসেছে আমাদের সৈন্যরা। জলদি আসুন, সম্রাট আপনার সাথে কথা বলতে চান।

উনাইসের কথায় হতবাক হয়ে গেলেন আবদুল মোত্তালিব ও জুনফর দুজনই। ঘটনার তলা স্পর্শ করতে না পেরে তারা পরস্পরে দৃষ্টি বিনিময় করতে লাগলেন। জুনফর উনাইসের উদ্দেশে বললেন, ঘটনা কী? সম্রাট কেন মক্কার সরদারকে খুঁজছে?

উনাইস বলল, সেটা সম্রাটই ভালো বলতে পারবেন।

Courtesy: Wikishia

আবদুল মোত্তালিব জুনফরের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ছেলেকে বাইরে রেখে উনাইসের সাথে প্রবেশ করলেন  সম্রাটের শাহী তাঁবুতে। কুর্নিশ করে উনাইস জানাল–জাঁহাপনা, আমার সাথে যাকে দেখছেন, তিনি মক্কা নগরীর সম্মানীত সরদার। আপনি হুনাতাকে পাঠিয়েছিলেন তাকে ডেকে আনার জন্য অথচ তার আগেই ইনি আপনার সাথে দেখা করতে রওনা দেন এবং গোয়েন্দাদের ভুল বোঝাবুঝিতে বন্দী হন। খবর পেয়েই তাকে বন্দীখানা থেকে আপনার কাছে নিয়ে এলাম।

আবদুল মোত্তালিবকে আগেও একবার দেখেছিলেন আবরাহা। সানার রাজপ্রসাদে। সেই ঘটনা অনেক বছর আগের। তখন আবদুল মোত্তালিবের বেশভূষা ছিল অন্যরকম। সফরের ক্লান্তিতে ছিলেন বিপর্যস্ত। কিন্তু আজ তাকে দেখাচ্ছে অভিজাত সুপুরুষের মতো। ফলে সরদারকে চিনতে পারলেন না আবরাহা। আবদুল মোত্তালিবের মূল্যবান পোশাক, চেহারার আভিজাত্য, দৃষ্টির গাম্ভীর্য প্রভাবিত করল আবরাহাকে। তার সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা এবং সম্মান সম্পর্কে আঁচ করতে পারলেন সম্রাট। নিজে সিংহাসনে বসে এই মানুষটিকে মেঝেতে বসাতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ে গেলেন তিনি। আবার আবিসিনীয় সৈন্যদের সামনে মক্কার সরদারকে রাজকীয় কুরসিতে বসাবেন–এটাও অনুচিত মনে হলো। ফলে সমস্যা এড়াতে মেঝেতে গালিচা বিছিয়ে সম্রাট ও সরদার পাশাপাশি বসে পড়লেন সংলাপের জন্য। হাতিশালার পরিচালক উনাইস দোভাষীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হলো।

দুজন কাছাকাছি বসার পর আবরাহার মনে খটকা লাগল। তার মনে হলো, এই মানুষটাকে আগে কোথাও দেখেছেন তিনি। আবারাহা টেনে টেনে বললেন, আমার স্মৃতিশক্তি যদি প্রতারণা করে না থাকে তবে বলতে চাই আগেও আপনাকে দেখেছি কোথাও।

আবদুল মোত্তালিব নির্বিকার ভঙ্গিতে বললেন, সানার রাজপ্রাসাদে আমাদের দেখা হয়েছিল। আমাকে একটি মেহেদি গাছ উপহার দিয়েছিলেন আপনি।

মনে পড়েছে এবার। আপনার ছেলে আমাদের উপাসনালয় নিয়ে কটূক্তি করেছিল।

ওটাকে কটূক্তি বলে না। সে তার দেখা বাস্তবতা উচ্চারণ করেছিল।

অতীতের কথা থাক। একটা সংবাদ দেয়ার জন্য আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছি। আমরা আপনাদের সাথে যুদ্ধ করতে আসিনি। আমরা এসেছি কাবাঘর ধ্বংস করতে। কারণ আপনার এলাকার কিছু দুষ্ট লোক আমার গির্জাকে অসম্মান করেছে। আপনারা যদি আমাদের কাজে বাধা না দেন, তাহলে কোনো রক্তপাত হবে না। যুদ্ধও হবে না। আর যদি বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন, আমার সৈন্যরা বসে থাকবে না। এখন সিদ্ধান্ত আপনার। শান্তি চান নাকি রক্তপাত।

আমি জানি আপনি কাবাঘর ধ্বংস করতে এসেছেন। আমাদেরকে নয়। তবে আপনার সৈন্যরা আমাদের সম্পদ ঠিকই ধ্বংস করেছে।

যুদ্ধের ময়দানে প্রত্যেক দুর্বল দলকে এই নিপীড়নটুকু সহ্য করতেই হয়। এখন পর্যন্ত কোনো মানুষ খুন হয়নি, কোনো নারী অসম্মানীত হয়নি–এ জন্য আমার প্রতি আপনার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত।

আমি হাশিমের পুত্র আপনার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কিন্তু ভুলতে পারছি না আমার দুইশ উটের কথা। আমি আপনার কাছে এসেছি মূলত আমার দুইশ উট ফেরত চাইতে, যা আপনার সৈন্যরা চারণভূমি থেকে ধরে এনেছে।

আর্টিকেলটি পড়তে কি আপনার ভালো লাগছে? তাহলে পড়তে পারেন ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত সাব্বির জাদিদের লেখা রাসূল (সা)-এর দাদা আব্দুল মোত্তালিবের জীবনীমূলক উপন্যাস “পিতামহ” বইটি। আর্টিকেলটি মূলত এই উপন্যাসেরই নির্বাচিত একটি অংশ।
বইটি কিনতে ক্লিক করুন রকমারির এই লিঙ্কে অথবা যোগাযোগ করুন বুকশেয়ারের ইনবক্সে

এবার আবরাহা চোখ থেকে মুছে গেল মুগ্ধতার ছায়া। তার ঠোঁটে ফুটে উঠল তাচ্ছিল্যের হাসি। ব্যঙ্গাত্মক কণ্ঠে তিনি বললেন, আমি আপনাকে এক মহান নেতা মনে করেছিলাম, যিনি সর্বদা জাতির ভাবনায় বিভোর থাকেন। ধর্মরক্ষায় জীবনপাত করেন। আথচ আপনাকে এখন আত্মকেন্দ্রীক স্বার্থপর লোভী মানুষ ছাড়া আর কিছু মনে হচ্ছে না আমার। আমি আপনাদের ইবাদতখানা ধ্বংস করতে এসেছি, যা আপনাদের মর্যাদার প্রতীক, যার সাথে জড়িয়ে আপনাদের পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য; সেটা নিয়ে আপনার কোনো দুশ্চিন্তা নেই; আপনি আপনার উট নিয়ে চিন্তিত। আপনি কেমন নেতা!

অপমানজনক কথা। কিন্তু আবদুল মোত্তালিব মোটেও বিচলিত হলেন না। অপমানিত হলেন বলেও মনে হলো না। তিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে জলদগম্ভীর কণ্ঠে বললেন, আপনার বোঝা উচিত, উটগুলোর মালিক আমি, তাই আমি আমার উট রক্ষার চেষ্টা করছি। আমাদের এই ইবাদতখানারও একজন মালিক আছেন। তিনি নিশ্চয় তার ঘর রক্ষার চেষ্টা করবেন।

আবদুল মোত্তালিবের এমন দৃপ্ত উচ্চারণ বাকরুদ্ধ করে দিল আবরাহাকে। তিনি হতভম্ব হয়ে এই অবাক পুরুষের দিকে অপলক চোখে তাকিয়ে রইলেন। তার মনে হলো, মক্কার এই সরদার পৃথিবীর আলোছায়ায় বেড়ে ওঠা সাধারণ কোনো পুরুষ নয়। বরং ইশ্বরেরঅলৌকিক ছায়ায় পালিত হওয়া এক অলীক মানুষ।

কিছুক্ষণ পর আবরাহার ঘোর কাটলে তিনি আবদুল মোত্তালিবের উট ফিরিয়ে দেয়ার আদেশ দিলেন উনাইসকে। আবদুল মোত্তালিব হৃত উট উদ্ধার করে ফিরে এলেন মক্কায়। এরপর কোরাইশ নেতাদের নিয়ে দারুন নাদওয়ায় বৈঠকে বসলেন। আবরাহা যুদ্ধ করতে আসেনি, সে এসেছে কাবাঘর ধ্বংস করতে, বাধাগ্রস্ত না হলে সে কারো ওপর আক্রমণ করবে না এবং সে আগামিকাল মক্কায় প্রবেশ করবেÑযা যা কথা হয়েছিল আবরাহার সাথে, নেতাদের সামনে সব তুলে ধরলেন তিনি। এও বললেন, প্রত্যেকে যেন কাল সকালের ব্যাপারে নিজ গোত্রকে সতর্ক করে, বাড়িতে অবস্থান না করে এ সময় সবাই যেন আবু কুবাইস পাহাড়ে আশ্রয় নেয়, এই পরামর্শও দিলেন তিনি।

বৈঠক শেষে দারুন নাদওয়া থেকে বের হতেই বিশাল জনতার সামনে পড়ে গেলেন কোরাইশ নেতৃবৃন্দ। কিছুদিন ধরেই মক্কানগরী পরিণত হয়েছে গুজবের শহরে। সঠিক খবরের অভাবে যুদ্ধের ভয়ঙ্কর কাল্পনিক গল্প প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে মানুষের মগজে। আজ যখন তারা জানতে পারে তাদের সরদার আবরাহার সাথে দেখা করে এসেছেন, অমনি তারা সঠিক সংবাদ পাওয়ার আশায় ভিড় জমিয়েছে কাবা চত্বরে।

মক্কাবাসীর এই জমায়েতকে সুবর্ণ সুযোগ মনে করলেন আবদুল মোত্তালিব। তিনি জনতার সামনে বক্তৃতা দেয়ার আদেশ করলেন আবু তালিবকে। বাবার আদেশে যুদ্ধের সকল পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দিলেন কোরাইশের এই ভবিষ্যৎ নেতা।

আবরাহা কোনো মানুষকে খুন করবে না শুনে জনতার চেহারা থেকে দুশ্চিন্তার মেঘ সরে গেল। তবে কাবাঘরের জন্য কাঁদতে লাগল তাদের মন। এই অবস্থায় আবদুল মোত্তালিব কোরাইশ সরদারদের সাথে নিয়ে কাবাঘরের পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন। কাবার দরজার কড়া ধরে সকাতর প্রার্থনায় মগ্ন হলেন তিনি। প্রার্থনায় এমন এক ভাষাভঙ্গি ব্যবহার করলেন, যে ভঙ্গির প্রার্থনা আগে কখনো শোনেনি নগরবাসী।

হে আল্লাহ! বান্দা তার নিজের ঘর রক্ষা করে
সুতরাং তুমি তোমার ঘর রক্ষা করো।
আগামিকাল তাদের ক্রুশ চিহ্ন যেন কোনোক্রমেই বিজয়ী না হয়
আর তোমার ঘরের ওপর যেন তাদের ঘর প্রাধান্য না পায়।
আর আমাদের কেবলাকে তুমি যদি তাদের হাতে ছেড়ে দেয়ার মনস্থ করেই ফেল
তবে যা খুশি তাই করো তুমি।



আর্টিকেলটি যদি আপনার ভালো লেগে থাকে, তাহলে পড়তে পারেন ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত সাব্বির জাদিদের লেখা রাসূল (সা)-এর দাদা আব্দুল মোত্তালিবের জীবনীমূলক উপন্যাস “পিতামহ” বইটি। আর্টিকেলটি মূলত এই উপন্যাসেরই নির্বাচিত একটি অংশ।
বইটি কিনতে ক্লিক করুন রকমারির এই লিঙ্কে অথবা যোগাযোগ করুন বুকশেয়ারের ইনবক্সে

Featured Image: wallpaperaccess.com

আপনার মন্তব্য লিখুন